৪০, কাওরান বাজার । ফোন: ৮১৮৯০১৭-৮
কাজলারপাড়, ডেমরা রোড। ফোন : ৭১২২৬৬০, ৭৫৫৪৯৬০
৯/আই মতিঝিল (বিজ্ঞাপন) ফোন:৭১২২৬৬৪, ৭১২২৬৬৭
e-mail: ittefaq@bangla.net.
dailyittefaq@yahoo.com
USA-Correspondent: shahidulus@gmail.com
লেখক: সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল | শুক্রবার, ২৬ অগাষ্টu-এ ২০১১, ১১ ভাদ্র ১৪১৮
হিথ্রো বিমানবন্দরে আট ঘণ্টার যাত্রা বিরতি। তারপর এয়ার কানাডায় চড়ে টরেন্টো যাবে। কিছুতেই সময় কাটছে না। একটা বেঞ্চ দখল করে বউ বাচ্চা নিয়ে উদ্বাস্তুর মতো বসে আছে আর নানান দেশের যাত্রীদের আসা-যাওয়া, উঠানামা দেখছে। এখন রাত দুটো, তারপরও যাত্রীদের যাতায়াত উপস্থিতিতে মনে হচ্ছে যেন দীপ্ত দুপুর। ছোটমেয়েটি পানির জন্য অস্থির। নূরুদ্দিন মানিব্যাগ থেকে ৫ ডলারের একটি নোট বের করে পাশের স্টল থেকে এক বোতল পানি কিনলো। দেড় ডলার! ওমা ১০৫ টাকা! এক বোতল পানির মূল্য! পানি এনে নাহারের হাতে তুলে দিতে দিতে বললো, ১০৫ টাকার পানি। নাহার ছিপি খুলতে খুলতে বললো, আর্সেনিক তো আর নাই।
এক বোতল পানি চারজন ভাগাভাগি করে ঢোক গিললো। খোলামেলা পোশাকের নারী-পুরুষ দেখতে দেখতে নাহারের লজ্জা কিছুটা কমে আসছে।
অপেক্ষমাণ যাত্রীরা নিজ নিজ ভাষায় কথা বলছে। তার মধ্যে বাংলা নেই। শুধু একবার বাংলায় ঘোষণা শুনে মনটা ভরে গিয়েছিলো। মাঝে মধ্যে দু একজন বাঙালি চলাফেরা করছে। তবে তারা সিলেটি ভাষায় কথা বলছে।
নূরুদ্দিনের বারো বছরের নেহালের দু চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। বিমানেও হু হু করে কেঁদেছে। তার আগে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার সময় হাউমাউ করে কেঁদেছে। কারণ, তার কাছে দেশান্তর যেন দেহান্তরের মতোই বেদনাদায়ক। আর নাহারও স্বদেশ স্বজনের শেকড় ছেঁড়া কষ্টে নীরবে কেঁদেছে। চোখ মুছেছে আঁচল দিয়ে। শুধু স্থির ছিলো নূরুদ্দিন। শুধু আনন্দে আত্মহারা সাত বছরের মেয়ে নির্জলা। প্লেনে উঠবে, আকাশে মেঘের দেশে ভেসে ভেসে পৌঁছে যাবে স্বর্গীয় পরীর দেশে—কানাডায়।
নূরুদ্দিন পাসপোর্ট চারটি খুলে কানাডার চকচকে লেমিনেট করা ভিসায় হাত বুলিয়ে নেয়। এ ভিসা যেন স্বর্গে যাবার সনদ। যেদিন গুলশান দূতাবাস থেকে ভিসা উঠলো, সেদিনতো নিজের অজান্তে নূরুদ্দিন ঝিনুকের মতো লুকিয়ে থাকা সবুজ পাসপোর্টের ভেতর মুক্তোতুল্য ভিসায় চুমু খেয়েছিলো। তখন মনে হয়েছে—তিন বছর পর সবুজ পাসপোর্টের স্থলে হাতে থাকবে কানাডিয়ান পাসপোর্ট!
এলোমেলো ভাবনায় নূরুদ্দিন বিক্ষিপ্ত। হঠাত্ খেয়াল করে তার পেছনের বেঞ্চে এক বাঙালি পরিবার। নূরুদ্দিনের মনে হলো তারাও হয়তো নতুন ইমিগ্রেন্ট হচ্ছে। জিজ্ঞেস করলো, ভাই আপনারাও কী কানাডায় যাচ্ছেন? ভদ্রলোকটি কোনো কথা না বলে শুধু মাথা নাড়িয়ে জানিয়ে দিলো—‘না’। তারপর জানা গেলো, তারা দেশে ফিরছে।
নূরুদ্দিনের কৌতূহল বড়তে থাকে; কিন্তু লোকটি খুবই বিষণ্ন। নূরুদ্দিন আগ্রহ করে বলে, আমার বউ, বাচ্চা-আমরা ইমিগ্রেশন নিয়ে যাচ্ছি। এখন কী খুব শীত?
ভদ্রলোকটি আবারো কোনো কথা না বলে শুধু মাথা নাড়িয়ে জানিয়ে দিলো—‘না’। নূরুদ্দিন আবার প্রশ্ন করে, ভাই কতদিন ধরে আছেন, কেমন লাগছে?
লোকটি অদ্ভুতভাবে পাগলের দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো নূরুদ্দিনের দিকে। নূরুদ্দিন তার প্রশ্নের কোনো জবাব পেলো না। অন্তরদৃষ্টিতে শুধু দেখতে পেলো—ভদ্রলোকের এক চোখে আশ্চর্যবোধক চিহ্ন আর অন্য চোখে প্রশ্নবোধক দৃষ্টি!
মাইকে ঘোষণা করলো তাদের এয়ার কানাডার নির্দিষ্ট ফ্লাইটটি কিছুক্ষণের মধ্যে ছাড়বে। গেট নম্বর একুশ। ইতিমধ্যে ছোটমেয়ে নির্জলা জেনে নিয়েছে কোন দিকে যেতে হবে। নূরুদ্দিন অফিসের কাজে দু তিনবার বিমানে চড়েছে, দেশের বাইরে গেছে; কিন্তু এখনো ভ্রমণে স্বচ্ছন্দবোধ করে না, অথচ নির্জলা কি ঝরঝরে যাত্রী।
সকাল ১০টায় এয়ার কানাডা পিয়ারসন্সে নামলো। সাধারণ যাত্রীরা সোজা চলে গেলো লাগেজ সংগ্রহে; কিন্তু তাদের ইমিগ্রেশনের প্রাথমিক কাজ সারতে হলো। ইমিগ্রেশন অফিসার লেন্ডিং পেপার, পিআর কার্ড, সিনকার্ডের একগাদা কাগজপত্র হাতে ধরিয়ে মিনি একটা লেকচার শেষ করে বললো—ওয়েল কাম টু কানাডা! ইমিগ্রেশন পর্ব সেরে লাগেজ সংগ্রহ করে বিমান বন্দর থেকে বেরিয়ে দেখে পুরনো বন্ধু জাকির তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। জাকিরকে পেয়ে যেন ক্লান্তির কিছুটা অবসান ঘটে। গাড়িতে উঠে জাকিরের বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হয় নূরুদ্দিন পরিবার। পথের চাকচিক্যে মুগ্ধ হতে থাকে নূরুদ্দিন। মেলাতে চেষ্টা করে ঢাকা শহরের জ্যামের সাথে। কিসের সাথে কিসের তুলনা। বিশ্বের ১০টি সেরা শহরের ৩টিই কানাডায়—ভ্যাঙ্কুভার, ক্যালগরি এবং টরেন্টো। আর ভ্যাঙ্কুভার তো সর্বশীর্ষে, ভূ-স্বর্গ হিসেবে খ্যাত। মনে মনে ভাবে, একবার যে করেই হোক ভ্যাঙ্কুভার যেতে হবে।
গাড়ি জানালা খুলে নূরুদ্দিন চোখ বন্ধ করে অন্টারিও লেক থেকে ভেসে আসা নির্মল বাতাস নেয়। আহ্ কী শান্তি। আর ঢাকা শহরের সিসাযুক্ত ভারি বাতাসে দম বন্ধ হয়ে আসে। এখন আর তা হবে না। হরতাল দেখতে হবে না। মাস্তানদের মুখোমুখি হতে হবে না। মুক্তির নিঃশ্বাস ছাড়ে নূরুদ্দিন। বন্ধু জাকিরের বেইজমেন্টে শুরু হয় নূরুদ্দিনদের নতুন সংসার। মাটির নীচে বাসা! যেন মশারি টানানো কবর ঘর। দম আটকে আসে নূরুননাহারের। নাহার বাসা পাল্টানোর জন্য তাড়া করে নূরুদ্দিনকে। নূরুদ্দিন দিন দিন বদলে যেতে থাকে। তার কল্পনার রঙিন কানাডার সাথে বাস্তবের সাদাকালো কানাডার মিল-অমিল খুঁজতে খুঁজতে অংক ভুলে যায়। হিসেব মিলে না।
সাথে করে যে টাকা ডলার করে এনেছিলো, তাও প্রায় শেষ পর্যায়ে। সাত মাসে কোথাও কোনো কাজ পেলো না। বিভিন্ন জায়গায় ফ্রি সোশ্যাল সার্ভিস সেন্টারগুলোতে রিজুমি তৈরি করছে, ট্রেনিং নিচ্ছে, উপদেশবাণী গ্রহণ করছে।
ইতোমধ্যে নেহাল ও নির্জলা স্থানীয় স্কুলে ভর্তি হয়ে বন্ধু-বান্ধব পেয়ে গেছে। নির্জলা লাউগাছের লতানো-সবুজ সতেজ হয়ে উঠছে আর নেহাল কেমন যেন মনমরা, নেতিয়ে পড়ছে। পিতা-পুত্রের প্রায় একই অবস্থা। নূরুদ্দিন টের পায় ভেতরে ভাঙন। কি চমত্কার ফুরফুরে সরকারি চাকরি ছেড়ে এসেছে। কত কর্মচারী, পিএ, পিয়ন, ড্রাইভারে ‘স্যার, স্যার’ সম্বোধন। আর এখানে সবাই স্যার! হিরো থেকে নূরুদ্দিন এখন জিরো! নূরুদ্দিন এখন কী করবে? প্রতিদিন অনলাইনে ঢুকে সিভি পোস্ট করে। সকালবেলা মেট্রোপাস নিয়ে বেরিয়ে পড়ে চাকরির সন্ধানে। দুপুরে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরে। পরদিন আবারো রুটিন মোতাবেক বেরিয়ে যায়। নাহারও টিম হর্টন, ওয়াল মার্ট, ডলার শপ, জেলার্সে সিভি ড্রপ করে। আট ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা। দশ ডলারের চাকরির সোনার হরিণ কিছুই ছুঁতে পারে না। নূরুদ্দিনও না।
দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য নূরুদ্দিনের বুকে জমে উঠে কষ্ট। বাথরুমে দরজা বন্ধ করে কাঁদে। তার কান্নার কথা কেউ জানে না।
নতুন-পুরনো বন্ধুরা বলে, প্রথম-প্রথম আমরাও কষ্ট করেছি। অডজব করেছি। সব ঠিক হয়ে যাবে। একটা ট্যাক্সি চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্স নেও সেই সাথে সিকিউরিটি লাইসেন্স। আর এই ফাঁকে ডাউন টাউনের বারে বা রেষ্টুরেন্টে ঢুকে পড়ো। তা না হলে ছাত্র হয়ে যাও। পড়াশোনা করো। তাও না করলে ওয়েলফেয়ারে ঢুকে যাও। ফুড ব্যাংকের খাবার খাও। কিছু করতে হবে না। খাবে আর ঘুমুবে। হা হা হা...
বন্ধুদের এসব পরামর্শ ভালো লাগে না। ঢাকা শহরে তার প্রায় রাজকীয় জীবন ফেলে এখন সে কোথায় কোন স্তরে মিশে যাচ্ছে বুঝতে পারে না। চোখে মুখে শুধু অন্ধকার দেখছে। বাচ্চা দুটোও কেমন যেন বদলে যাচ্ছে। কথায় কথায় ইংরেজি বলে। তাদের দ্রুত পরিবর্তন নূরুদ্দিনকে আরো বিচলিত করে তুলে। বউয়ের একটা কাজ হয়েছে চায়ের দোকানে, অর্থাত্ টিম হর্টনে। তাও ঠিক মতো আওয়ার পাচ্ছে না। দুই বাচ্চার চাইল্ড বেনিফিটে সংসার চলে না। নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা! নূরুদ্দিন কি করবে ভেবে পায় না। দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ে। ভয়াবহ দুর্দিনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকে!
কারখানার কাজের এজেন্সিতে পরীক্ষা দিয়ে নাম লিখিয়েছে; কিন্তু অডজবও দিচ্ছে না। কাজ নেই। প্রতিদিন এজেন্সিতে ফোন করে আর হতাশ হয়। হতাশ হতে হতে নূরুদ্দিন মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। কি করবে সে?
দেশে ফিরে যেতে চায়; কিন্তু নেহাল নির্জলা যাবে না। নূরুদ্দিন তাদের কাছে ক্রমাগত ব্যর্থ বাবা হতে থাকে। বুক ভেঙে কান্না আসে নূরুদ্দিনের। পার্কে বসে একা একা কাঁদে। বিদেশি বাতাস কী বুঝবে তার বেদনার কথা?
একদিন হঠাত্ ফোন এলো এজেন্সি থেকে। সেফটি শো, শেফটি গ্লাস নিয়ে একটি কারকানায় যোগ দিতে বললো।
নূরুদ্দিন কারখানায় শ্রমিক হিসেবে যোগ দেয়। দিয়ে দেখে সব শ্রমিকই উচ্চ শিক্ষিত। বিভিন্ন দেশের নারী-পুরুষেরা এক সাথে শ্রমিকের কাজ করছে। বহু বছর আগে আমেরিকা কালোদের জোর করে শ্রমিক বানাতো আর এখন নূরুদ্দিনরা স্বেচ্ছায় শ্রমিক হচ্ছে।
লোহার কারখানা আলো-আঁধারি অন্ধকার, প্রচণ্ড গরম, অসহ্য শব্দ। কারখানাটা নূরুদ্দিনের কাছে কারাগার মনে হয়। কারাগারও হয়তো এর চেয়ে ভালো। ১২ ঘণ্টার শিফট শেষ হলে মনে হয় বন্দিত্ব থেকে প্যারলে মুক্তি পেলো। রাত ফুরোলেই আবার সেই ঘানিটানা শ্রমিক। কারখানাটা শহর থেকে দূরে। দুই ঘণ্টা লাগে যেতে। প্রথমে বাস তারপর ট্রেন, তারপর আবার বাস। একী জীবন গ্রহণ করলো নূরুদ্দিন?
ট্রেনে চড়ে ভাবতে থাকে প্রিয় শহর ঢাকার কথা। ঢাকার জন্য মনটা অস্থির হয়ে উঠে। মনে পড়ে হিথ্রো বিমান বন্দরে সেই বাঙালি ভদ্রলোকের কথা। মনে মনে নিজেই সেই ভদ্রলোক হয়ে উঠে। তার মতো নূরুদ্দিনও ফিরে যাচ্ছে স্বদেশে। অপেক্ষা করছে লন্ডন-টু-ঢাকা ফ্লাইটের জন্য। তখন তারই মতো আরেক নূরুদ্দিন নতুন স্বপ্ন নিয়ে সপরিবারে কানাডায় যাচ্ছে। এক নূরুদ্দিন আরেক নূরুদ্দিনের কাছে জানতে চায়, ‘কানাডায় কেমন শীত? কত দিন হলো আছেন? কেমন লাগছে?’ নতুন নূরুদ্দিনের কৌতূহলে পুরোনো নূরুদ্দিন নির্বিকার হয়ে অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে থাকে। তার এক চোখে আশ্চর্যবোধক চিহ্ন আরেক চোখে প্রশ্নবোধক দৃষ্টি।
নির্দিষ্ট স্টেশনে নামা হয়নি নূরুদ্দিনের। ঘুম ভাঙতেই দেখে সে ঢাকাতেও নয়, হিথ্রোতেও না। ট্রেনটা এসে কিপলিং-এ থেমে গেছে। এভাবেই চলতে থাকে কলুর বলদের মতো ঘানিটানা। অসহ্য শ্রমিক জীবন।
দুই ঘণ্টা পরপর টিফিন ব্রেক, লাঞ্চ ব্রেক। সবাই এক সাথে ছুটে আসে। পনেরো মিনিট বা আধঘণ্টার মধ্যে দ্রুত টিফিন-লাঞ্চ সেরে পাগলের মতো ছুটে যায় মেশিনের কাছে। মানুষগুলো মেশিনের চেয়েও ফার্স্ট। নইলে কাজ করা সম্ভব নয়। শালার মালিকেরা দুইজনের কাজ করিয়ে নেয় একজনকে দিয়ে। চাকরির ভয়ে কেউ টু শব্দটি করে না। বরং তারাও মেশিনে পরিণত হয়।
হঠাত্ হইচই! কী হয়েছে, কী হয়েছে। সব মেশিনগুলো দ্রুত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে আলো। পাশের মেশিন থেকে চিত্কার শোনা গেলো। নূরুদ্দিন গিয়ে দেখে শ্রীলঙ্কান মেশিন অপারেটরকে ইমার্জেন্সিতে নেয়া হচ্ছে। মেশিনে ঢুকে গেছে তার হাত। কাটা গেছে আঙ্গুল। তার ফ্লোরে টিকটিকি লেজের মতো লাফাচ্ছে মেশিনে কাটাপড়া রক্তাক্ত আঙ্গুল।
নূরুদ্দিন চিত্কার দিয়ে দৌড়ে যায় বাথরুমে। ভয়াবহ দৃশ্য থেকে নূরুদ্দিন আঁতকে উঠে। কান্না পায়। কাঁদে। অশ্রুজল হাতের তালুতে নেয়। চোখ ফেটে গড়িয়ে পড়া তপ্তজল তার কাছে মনে হয় তপ্ত লোহা। জল রং যেন রক্তাক্ত অশ্রু, যেন চোখ থেকে গলে গলে পড়ছে টকটকে লাল লোহা। নূরুদ্দিন তখন ফোঁটা ফোঁটা অশ্রু জল আর গলিত লাল লোহার মধ্যে পার্থক্য খুঁজে পায় না।
মেয়াদ উত্তীর্ণ পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন?
পূর্বের রেজাল্ট দেখতে ক্লিক করুন
মন্তব্য
এখানে কোন মন্তব্য নাই।