৪০, কাওরান বাজার । ফোন: ৮১৮৯০১৭-৮
কাজলারপাড়, ডেমরা রোড। ফোন : ৭১২২৬৬০, ৭৫৫৪৯৬০
৯/আই মতিঝিল (বিজ্ঞাপন) ফোন:৭১২২৬৬৪, ৭১২২৬৬৭
e-mail: ittefaq@bangla.net.
dailyittefaq@yahoo.com
USA-Correspondent: shahidulus@gmail.com
লেখক: ইত্তেফাক রিপোর্ট | শুক্রবার, ১৯ অগাষ্টu-এ ২০১১, ৪ ভাদ্র ১৪১৮
ডিএসসি’র সামনে বিক্ষোভ
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পুঁজিবাজার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিক্ষোভ করেছে বিনিয়োগকারীরা। বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় তারা। বিক্ষুব্ধ বিনিয়োগ-কারীরা বাজার স্থিতিশীল করতে আবারো প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে বাজার সম্পর্কে কোন নেতিবাচক মন্তব্য না করার আহবান জানায়।
গতকাল দুপুর থেকে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ থেকে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে ডিএসইর সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকে। এসময় বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করতে চাইলেও পুলিশের বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে মতিঝিলে যানবাহন চলাচল ছিল স্বাভাবিক। পুলিশের বাধায় দুপুর সোয়া ১ টার দিকে ডিএসইর মূল ফটকের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সভার আয়োজন করে তারা। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুঁজিবাজার ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান উর রশীদ চৌধুরী। এ সময় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবদুর রাজ্জাক আগামী রবিবার ডিএসইর সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন। এসময় সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম শাহাদাত উল্লাহ ফিরোজ বলেন, হঠাত্ করে একদিনের জন্য শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পাওয়া বাজারের স্বাভাবিক আচরণ নয়। অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ ও বাজার স্বাভাবিক না হলে রাজপথেই ঈদ পালন করবে বিনিয়োগকারীরা।
গতকাল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়। বাজারের এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে সাজানো বলে অভিহিত করে ক্ষুব্ধ সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বাজার দরপতনের প্রতিবাদে চলতি মাসে তিন দফা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিনিয়োগকারীরা। টানা দরপতনের প্রতিবাদে বুধবার বিক্ষোভের পর গতকাল বৃহস্পতিবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে শেয়ারবাজার। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক বেড়েছে ৭৪ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১৪৪ পয়েন্ট। সেই সঙ্গে ডিএসইতে ২৩৬টি ও সিএসইতে ১৫৭টি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে। তবে একদিনের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন কমে গেছে প্রায় শতকোটি টাকা।
মেয়াদ উত্তীর্ণ পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন?
পূর্বের রেজাল্ট দেখতে ক্লিক করুন
মন্তব্য
এখানে কোন মন্তব্য নাই।