৪০, কাওরান বাজার । ফোন: ৮১৮৯০১৭-৮
কাজলারপাড়, ডেমরা রোড। ফোন : ৭১২২৬৬০, ৭৫৫৪৯৬০
৯/আই মতিঝিল (বিজ্ঞাপন) ফোন:৭১২২৬৬৪, ৭১২২৬৬৭
e-mail: ittefaq@bangla.net.
dailyittefaq@yahoo.com
USA-Correspondent: shahidulus@gmail.com
লেখক: ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা | বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০১১, ২৩ আষাঢ় ১৪১৮
হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য
উপজেলার পাহাড়ী গড় এলাকার লাল মাটির আনারসে কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করে হরমোনের অপপ্রয়োগ চলছে। আনারসে হরমোন প্রয়োগে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে। উপজেলার নাওগাঁও, রাঙামাটিয়া, এনায়েতপুর, কালাদহ ইউনিয়নের পাহাড়ী লাল মাটির গড় এলাকায় আবাদ করা হয় ১ হাজার হেক্টর জমিতে। এবার ১ হাজার ৯শ’ ৬০ টন আনারসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করছে কৃষিবিভাগ। গড় এলাকার পাহাড়ী লাল মাটির আনারস সুস্বাদু বিধায় সারাদেশে এর প্রচুর সুনাম রয়েছে। আনারস চাষীরা বেশি লাভের আশায় বড় করতে একবার পাকার আগে আরেকবার হরমোন প্রয়োগ করছে। হরমোন প্রয়োগ আনারস দেখতে ভাল হলেও খেতে তেমন সুস্বাদু নয় বিধায় স্থানীয় লোকজন আনারস খাওয়া একপ্রকার ছেড়েই দিয়েছে। উপজেলার হাতিলেইট মধ্যপাড়া গ্রামের আব্দুস ছামাদ খান জানান, ৩ একর জমিতে তিনি আনারস আবাদ করেছেন। তার ১৫ হাজার আনারস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিটি আনারসে ১০ দিন পর-পর তিনবার তিনি হরমোন প্রয়োগ করেছেন। একই গ্রামের আবু সাইদ জানান, তারা শুধু আনারসে হরমোন প্রয়োগ করছেন। আনারস পাকাতে অন্য চাষীরা ইউরিয়া সার প্রয়োগ করছেন। আনারস ক্ষেতে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করায় মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে জটিল ও কঠিন রোগে। অপরদিকে আনারস পাকাতে রাসায়নিক উপাদান ব্যাপকহারে ব্যবহার করায় আনারস ক্ষেতে গোড়া পচা রোগসহ আনারস কলি থেকে বের হওয়ার পর আনারস পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত আনারস চাষীরা অভিযোগ করেন, কৃষিবিভাগের কেউ আনারস চাষে তাদের পরামর্শ দেয়ার জন্য মাঠপর্যায়ে খোঁজ-খবর নেয় না। তারা দোকানদার ও কোম্পানী প্রতিনিধিদের পরামর্শ নিয়ে আনারস ক্ষেত পরিচর্যা করছে।
মেয়াদ উত্তীর্ণ পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন?
পূর্বের রেজাল্ট দেখতে ক্লিক করুন
মন্তব্য
এখানে কোন মন্তব্য নাই।